Subscribe

কথা, কথা শুধু

কথা

কথা কথা কথা...
কথা, শুধু কথা।
কথা থাক; থাক বাকি কথা।



জোনাকি

স্বপ্নের গোরস্থানে,
তোমার ঘরের পথ দেখালো-
একঝাঁক জোনাকী।



আত্মা
উৎসর্গ : নিজ’কে, অপরকে

নিত্য অভিযোগ, নিত্য হাহাকার-
আত্মাকে এতটা ভারী করে তুলেছো!



বাসি, ভালবাসি

এতযে ভালোবাসাবাসি-
করো মন; মনে কি আছে?
একদিন সব বাসি! দুর্গন্ধে
ভরে যাবে মন; সঙ্গমের সময়
মুখ কিংবা পায়ূর বদবু-
ভালো লাগে কোন দুর্মুখের?



রান্নাবান্না
উৎসর্গঃ রনি আহম্মেদ

এতো যে ডাকাডাকি করি, ফোনে-
বুকে আর ফেসবুকে;
আসো না ত!
আজ, কী মনে করে এলে?

আর কী আশ্চর্য, তুমি চলে গেলে,
তোমার না’ বলা কথাগুলো মাছ হ’য়ে
ঘরময় নাচতে শুরু করলো!
তার কয়েকটি ধরে শুটকি বানিয়ে রেখেছি;
ফের এলে রান্না করে খাওয়াবো।



হাসি

মুখোমুখি হলে এতযে হাই-হ্যালো,
সালাম-নমস্কার! ইদানিংকার নানান সমাচার-
মাঝেমধ্যে সমালোচকের পুরস্কার;
তাহলে, উল্টোমুখি হলে কেনো-
মনে জমতে দাও সমূহ তিরস্কার
তারচেয়ে ভালো নয়, নিরূপদ্রব হাসি?
চোখে ও চোখের পলকে!



ধূর্ত উঁই

তোমার বুক-শেলফ দেখে-
ঈর্ষা জাগে। না।
তোমার কালেকশনের জন্যে নয়,
মহারথীরা যখন রথ ত্যাগ ক`রে
তোমার কোলে ভাঁজ খুলে আশ্রয় পায়-
তাই দেখে, ইচ্ছে করে পন্ডিতের আখড়ায় আগুন দেই
আর উথালি-পাথালি নাচি তোমার বুক’এ।



পা-পা

পায়ে পা’ বেঁধেছি-
চার`কে তিন, করবো ব`লে।
কিছুদূর এগিয়ে এসে,
থামতে হলো।
তোমার লাঠির দরকার হলো,
কাঁধের কথা ভুলে!



ফোঁড়া

পোঁদে ফোঁড়া হলে তা-
উঁচিয়ে রাখাই রীতি।



ফ্যাগোসাইটোসিস

উৎসর্গঃ জ্যোতিকা জ্যোতি’কে

মুনিয়া কী আমার দ্বি-ভাজিত বোন?



চিতা

জলের যে সৎভাই, তার নাম অগ্নি!



লাল জুতা
উৎসর্গঃ কমলকুমার মজুমদার

শান্তির জুতা পায়ে বিশ্বভ্রমণে বের হবো-
বললাম শান্তিকে, ‘বিনিময়ে তোর কী চাই?’
মিষ্টি হেসে সে বলে, ‘শুধু ফেরত দিলেই চলবে।
অন্তত: আর-একজন ভ্রমণে ত যেতে পারবে!’
অতএব, মনে রাখা প্রয়োজন, যিনি সারাক্ষণ
শান্তি শান্তি করেন, তিনিই থাকেন বড় অশান্তিতে।
ওম শান্তি...



অভিমানী

ভাণ করি বলে, তোমাদের এতো অভিমান?
আর, তোমরা যা নও, তা’ই ত হও!



এনজয়
উৎসর্গঃ জয়া`কে

কিছুতেই আর কিছু
হবার নয়,
ভয় শুধু ভয়।
জয় আর এনজয়!



জাগরণপালা

ভাইরে, জেগে থাকতে আর
সঙ্গীর প্রয়োজন হয়না।
হয় কেবল, জাগিয়ে রাখতে!



সদ্ব্যবহার

তোমার সঙ্গে নরম হয়ে দেখেছি-
সুযোগ নাও।
তোমার সঙ্গে গরম হয়ে দেখেছি-
সুযোগ নাও।
মেয়ে, তোমার সুযোগ নেয়ার অভ্যাসটা-
                            আজও গেল না।



শিল্পী

যা তুমি গড়ো
তা-ই ধ্বংস করো-
আমার বিনাশ দেখে তোমার
এতোটা আমোদ!



চার্বাক

ধার নিয়ে ফেরৎ দেওয়াটাই রীতি।
দেবো-দিচ্ছি বলে না দেওয়াটা দূর্নীতি।
আর, কাউকে ক্ষমা করতে না’ পারাটা?
ঋণ; সবচেয়ে ভারী বোঝা!


হার-জিৎ

হার-জিতের এই পৃথিবীতে,
হেরে যেতে, ভালো লাগে-
কার?



রেজারেকশন

কতোকাল অপেক্ষায় আছি!
সেই তো এলে-
আজকেই দ্যাখো কতো কতো মানুষের ভীড়।

নতুন ভাড়াটে আসছেন! আর,
ওরা আমাকে জোর করে উঠিয়ে দিচ্ছে।
কোন চুলায় যে যাবো, আল্লাহ-মাবুদ জানে!

হায়, বারোয়ারী এই কবরখানায়ও আমার-
ঠাঁই মিলছে না!

ওরে বেদরদী ঘাসফুল-
দুইটা দিন আগে ফুটলে কী হতো!

২৪.০১.২০১২
যাদুর শহর, ঢাকা।

Copyright © 2019 All right ® reserverd by Nurul Alam Atique Art: Sabyasachi Mistry, Design: Rainy, Arrangement: Nahidur Rahim Chowdhury Ananda, Developed by eMythMakers.com